আখতার জামানের ‘যুদ্ধদিনের গল্প’ হয়ে উঠেছে সমগ্র বাংলার যুদ্ধকালীন বাস্তবতা।

সালেক শিবলু

মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির আত্ম-অহঙ্কার। এই ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নিমর্ম ও নৃশংস অত্যাচারের কাহিনী। মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের সৃজনশীল সাহিত্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের গণজাগরণ ও বৈপ্লবিক চেতনা আমাদের সাহিত্যকে আলোকিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে গড়ে উঠেছে স্বতন্ত্র ধারার মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প। সব ছোটগল্প শিল্পোত্তীর্ণ না হলেও কোনো কোনো ছোটগল্প অনুপম শিল্পকর্মে পরিণত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্পগুলোতে যুদ্ধের নয় মাসের বহুমাত্রিক চিত্র পাওয়া যায়। একাত্তরের মার্চের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নিমর্ম অত্যাচার, নৃশংস গণহত্যা, ধষর্ণ, ব্যাপক ধ্বংসলীলা, হাজার হাজার মানুষের দেশত্যাগ, দেশের মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, নানা মানবীয় সংকট ইত্যাদি অনুসঙ্গ ছোটগল্পের উপাদান হয়ে এসেছে। এসব ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের গল্পগুলোতে নানাভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বিচিত্র আঙ্গিকে। তৎকালীন, সমাজ ও রাজনৈতিক সমাজ বাস্তবতার দৃশ্যচিত্র অঙ্কনে অনেকেই এ সময় বাংলা ছোটগল্পে সরব ভূমিকা পালন করেন তাঁদের মধ্যে আখতার জামান অন্যতম। তিনি যুদ্ধদিনের গল্প (২০২০) গ্রন্থে গল্পের প্লট নির্মাণে তিনি তাঁর দেখবার ও দেখাবার স্বতন্ত্র শিল্পদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন।

গ্রন্থটি আমি এই সেদিন পড়ে শেষ করলাম। পড়ে একটু ধক্কা খেলাম নিজে নিজেই। এই গল্পগুলো কেন আর একটু আগে পড়েনি! গল্প বলছি এই কারণে- গ্রন্থের প্রতিটি অধ্যায় এক একটি সার্থক বুনটে সৃষ্ট গল্প। আবার উপন্যাসও বলা যেতে পারো। কারণ সম্পূর্ণ গ্রন্থটি একটি প্লটে রচিত যা বর্ণনার রঙ তুলিতে একাধিক গল্প মিলে একটি যুদ্ধ দিনের গল্প হয়ে উঠেছে । সেই দৃষ্টিতে উপন্যাস বললেও ভুল হবে না।

না পড়ায় একটু হলেও আমার অপরাধ বোধ হলো। কিন্তু যারা অর্হনিশ বাংলাদেশের কথাসাহিত্য নিয়ে আস্ফালন করে বেড়ান তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা কেউ কি আদৌ এই মহান গ্রন্থটি পাঠ করে আন্দোলিত হয়েছেন? গ্রন্থটি আমার পাঠজৎগত কে যে ভাবে আন্দোলিত করেছে অন্য পাঠককে কি সে ভাবে পেরেছে? আমার মনে হয় না এ পর্যন্ত গ্রন্থটি নিয়ে সিরিয়াস কোন সমালোচনা হয়েছে। অথচ এমন একটি গ্রন্থ যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য সম্ভারে নিঃসন্দেহে শিল্পমানে সমৃদ্ধ করেছে। আমি যে ভাবে জোর দিয়ে প্রেরণাদীপ্ত স্টাইলে বলছি তাতে মনে হয় রীতিমত অশ্রব্য শোনাবে। কিন্তু আমি নাচার। এই গল্পগুলো যে ভাবে আমার গল্পভূবনে কম্পন সৃষ্টি করেছে। জীবনের স্তরে স্তরে, অভিজ্ঞতা পর্বে-পর্বে গ্রন্থের গল্পগুলি বিস্তৃত জায়গা নিয়ে আছে- যার প্রকৃত এবং মূল অনুষঙ্গ মুক্তিযুদ্ধ।

গল্পের পটভূমিতে লেপটে দিয়েছেন পাবনা জেলার যুদ্ধোত্তর সময়। তাঁর ‘যুদ্ধদিনের গল্প’ কেবল মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ ঘটনার কিংবা ইতিহাসাশ্রিত বয়ান নয়, বরং তা মুক্তিযুদ্ধোত্তর সমাজ-রাজনীতির এক অসামন্য নান্দনিক উপস্থাপনা। যুদ্ধদিনের চেতনা ও দর্শন, সমাজ, রাজনীতি ও জনজীবনের সাথে অঙ্গীভূত করে । ‘যুদ্ধদিনের গল্প’ নির্মাণে তিনি তাঁর সাতন্ত্র্য সত্তার পরিচয় দিয়েছেন। গল্পকারের চিন্তা-মনস্তত্ত্ব, প্রত্যাশা-হতাশা সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন সাহস ও এর পরিণতির দ্বারা। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সমাজজীবনের যে সংকট ও অসঙ্গতি দেখা দিয়েছিল, কখনো কখনো সেসব সমস্যা ও সংকট গল্পে ঠাঁই পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অনুষঙ্গী হয়ে। গল্পকারকে লিখতে দেখি- ‘এই গল্প আমি আমার চারপাশের চেনাজানা মানুষ, পত্র-পত্রিকা কিংবা মানুষের জীবনে অসংখ্য গল্প থাকে। প্রত্যেকেই মনের গোপন পৃষ্ঠায় পরম মমতায় লিখে রাখেন নিজের গল্প।’

এ সব গল্পের প্লট নির্মাণে অধিকাংশ ঘটনা পাবনা জেলার বিভিন্ন অঞ্চল হলেও গল্প গুলো হয়ে উঠেছে সমগ্র বাংলাদেশের গল্প। দেশের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ভাবনা, পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচর, মুক্তিযুদ্ধাদের সাহস, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ, সংখ্যালগুদের অস্তিত্বের সংকট, রাজাকারদের নিপীড়ন ইত্যাদির সুনিপুণ চিত্র তুলে এনছেন একটি পুর্ণাঙ্গ ক্যানভাসে।
চাঁদ তারার পরিবর্ততে আনাচে-কানাচে লাল সবুজের পতাকা উত্তলন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের গেফতারের পর দেশের প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের ভেতর বাহিরে যে চাপা আতঙ্ক চলছিল তার বহিঃপ্রকাশ করেছেন তারাপদ মাস্টারের চরিত্রে। এই বয়ানের মধ্যদিয়ে গল্পের উত্থান শুরু হয়েছে। তারাপদ মাস্টার পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক তাঁর চরিত্রে উঠে এসেছে একাত্তরের একজন সংখ্যালগু হিন্দু শিক্ষকের অস্তত্ব সংকট। ঢাকা বেতারের সংবাদ তারাপদের মন জুড়ায় না কারণ বেতার আগে থেকেই দখল করেছে রাষ্ট্রযন্ত্র। তাই আকাশবাণী অথবা বিবিসি দিকে তাকে চেয়ে থাকতে হয়, এতেও যদি কিছুটা সস্তি পাওয়া যায়! এই উৎকন্ঠা হয়ে উঠেছে সমগ্র বাংলার তারাপদদের উৎকণ্ঠা।

সিকান্দার আলীর চেতনায় ফুটে উঠেছে তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা। ‘আজ ভোরে দিলাম সাতটা বিহারীকে জবাই। বাজারে নাইট গার্ড শালা বিহারীদের ধরে একটা করে… । তবে জবহ কারার মতো দোষ না। দোষ করেছে ওদের নেতা। কুত্তার বাচ্চা ইয়াহিয়া।’ ‘পাকিস্থানীরাই শুধু আমাগরে শত্রু না। আমাগরে শত্রু আমিরিকা রাশিয়া চীন। ওরা আমাগরে নিয়া রাজনীতি করতিছে। অস্ত্র তুলে দিতেছে মানুষ মারার জন্য।’ এটা ছিল বাংলাদেশ কে নিয়ে বিশ্বমড়লদের যুদ্ধযুদ্ধ খেলা।

দিনলিপির মতো ৭১’র প্রতিটি ঘটনা এসেছে গল্পে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে। কখনো শেখ মুজিবের গেফতার, ওয়ালেস বার্তায় স্বাধীকারের ঘোষনা; আবার কখনো উঠে এসেছে পাবনার চতুরভূজ সংঘাতে টিপু বিশ্বাসের নকশাল বাহিনী বনাম মুক্তিযুদ্ধাদের ভয়াবহ সংঘর্ষ। বাদ পরেনি প্রাণভয়ে মানুষ দিকবিদকি ছোটাছুটির চিত্রও। বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের বাস্তবতার যে চিত্র উঠে এসেছে গল্পে তা মূলত সমগ্র বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের। তারাপদ মাস্টার, গৌরী রায়, দুলি পাবনার সীমনা ছাড়িয়ে তারা হয়েছে উঠেছে সমগ্র বাংলা সংখ্যালঘু হিন্দুর প্রতীক।

‘দেশের অবস্থা যখন খারাপ থাকে তখন মানুষ ধর্ম কর্মের দিকে মনোযোগ দেয়।’ অনেকেই প্রাণনাশের ভয়ে ভয়ানক পরিমাণের নামাজ পড়া শুরু করে। কারণ- ‘যারা নামাজ কালামে ঠিকঠাক তারা পাকিস্তানের ভাঙন চাইবে না। সব মুসলমানের উচিৎ হবে দুইটা জিনিসে বিশ্বাস রাখা। এক, ইন্ডিয়া কোনদিনই পাকিস্তানের বন্ধু হবে না। দুই, আওয়ামী লীগ যারা করে তারা সাচ্চা মুসলমান না। এরা ইন্ডিয়ার দালাল, ছদ্মবেশী হিন্দু নাসারাত এবং তারা কেয়ামত পর্যন্ত মুসলমানের শত্রু।’ তসলিমের এই উক্তি প্রমাণ করে যখনই কেউ পাকিস্তানের বিপক্ষে গিয়েছে তখনই সে ইন্ডিয়ার দালাল, তখনই নাসারাত। মূলত ধর্মের নামে রাজনৈতিক ফায়দালুটা ছিল হাজারো তসলিমদের নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। এরকম শত তসলিম আমাদের ঘরের খবর পরের কাছে তুলে দিয়েছে। ফলে সোনার বাংলা পরিনত হয়েছে জাহান্নামে।

যুদ্ধদিনের গল্প প্রামাণ্য চিত্রের মত উঠে এসেছে ১০ এপ্রিলের মুজিবনগর সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা, ১৭ এপ্রিলের স্বাধীন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ শপত; প্রবাসী সরকারের কোলকাতার জীবনযাপন; খন্দকার মোস্তাকের মনঃক্ষুন্নতা। তাজউদ্দিন কন্যার সাথে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কথপোকথনে বিজলীবাতির মত জ্বলে উঠেছে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর সততা, প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক জীবনদর্শন।

যুদ্ধের ট্রেনিং ক্যাম্পে বিভিন্ন মতপার্থক্য ছিল। গল্পকার তাঁরতীক্ষè দৃষ্টি দিয়ে ঘটনার গভীরে প্রবেশ করে অভিজ্ঞ ডুবুরির হয়ে তুলে নিয়ে এসেছেন ট্রেনিং প্রতীক্ষার যোদ্ধাদের মনঃদ্বৈরথের ছবি। ‘ছাত্র ইউনিয়ন যারা করেছে তাদের প্রশিক্ষণে নেয়া হচ্ছে না। তারা চলে যাচ্ছে অন্য ক্যাম্পে। বিশেষ কিছু ক্যাম্প আছে যেখানে এতো কিছু করা হয় না। যুদ্ধের আঁচ ছড়িয়ে পরে দেশগ-ি পেরিয়ে কোলকাতার স্মরণার্থী শিবিরের স্বপ্নচারিণী অভুক্ত মানুষের ভেতরে । তাঁদের প্রতিক্ষা কবে উদিত হবে স্বাধীনতার লাল সুর্য। ‘হাজার হাজার খুপড়ির ভেতরে খেয়ে না খেয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ অপেক্ষায় আছে। স্বাধীনতার জন্য প্রতিক্ষা।’

মুক্তিযুদ্ধে অনেকেই পাকিস্তানীদের সাথে আতাত করলেও নিভৃতে কাজ করে গেছে দেশের জন্য তার বড় উদাহরণ ইউনুস আলী। ইউনুস আলী রাজাকার সেজেছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মিশে গিয়েছেন রাজাকার বনে। খবর সংগ্রহ করে পৌছে দিয়েছেন মুক্তিসেনাদের কাছে। পাকিস্তানীদের ভ্রান্ততথ্য দিয়ে করেছেন পাকরাও। সমগ্র বাংলার যুদ্ধদিনের গল্প খুঁজলে এরকম অনেক ইউনুস আলী পাওয়া যাবে, যারা নেতিবাচকতার আড়াল থেকেই আমৃত্যু কাজ করেছেন দেশের জন্য। অথচ অনেক সময় তাদের পড়তে হয়েছে দু পক্ষেরই রোশানলে।

যুদ্ধদিনের গল্পে উঠে এসেছে পাকিস্তানী বাহিনীর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ জ্বালাও-পোড়াও। এ চিত্র ছিল তৎকালীন সমগ্র বাংলার চিত্র। তবে হত্যযজ্ঞকে পাশকাটিয়ে গল্পকার তুলে এনছেন পুত্র শোকে কাতর পিতার অন্তঃদহন। শতপুত্র হারানো পিতার প্রতিনিধি হয়ে উঠেছে আজিম সাহেব। নিজ পুত্রের সন্ধান না পেলেও নামের মিল থাকা মুক্তিযোদ্ধার গলিত লাশ দাফন করেই গগন বিদারী আর্তিতেই কিছুটা হলেও পুত্রশোক প্রশমিত করা চেস্টা করেছে- ‘হে আল্লাহ! আমি আমার পুত্রের জানাজা নামজ পড়ছি! আমি আমার পুত্রের জন্য দোয়া করছি। তুমি আমার পুত্রকে শহীদের মর্যদা দান করো।’ হানাদার বাহিনী গণহত্যার ঐতিহাসিক বয়ানের সত্যতা লঙ্ঘন করেননি গল্পকার, বরং সেটিকে মান্য করেছেন পুরো মাত্রায়। খ- খ- চিত্রে এভাবেই তিনি প্রমূর্ত করেন যুদ্ধকালীন বাস্তবতা।

স্বাধীনতা যুদ্ধকালের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও স্বপ্ন-সাধ-আশা-আকাক্সক্ষা যুদ্ধোত্তরকাল শেষ হতেই ক্রমে তা ভেজাল স্বপ্নে পরিণত হচ্ছে। যুদ্ধ শেষে হাজারো মানিক চাঁদকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে অনেকইে যুদ্ধ না করেও বিজয়উল্লাসে মিশে একাকার হয়ে গেছে। অনেকে দেখে অবাক হওয়া ছাড়া আর কিছুই বলার ছিল না কারো। তাই গল্পকারকে লিখতে দেখি- ‘যেন জিতে যাওয়া যুদ্ধের পর আরেকটি অদৃশ্যমান অনাকাক্সিক্ষত যুদ্ধের ভেতরে মানুষ ঢুকে যাচ্ছে। এবং সেই সেই যুদ্ধের প্রস্তুতিতে এক অদৃশ্য শত্রু খোলস পাল্টে উল্লাস করছে। আর একদল মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে।’

আখতার জামানের কথনশিল্পের মূলপ্রভাবক হয়ে উঠেছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। কেবল একাত্তরের ঘটনার আবেগী বিবরণ সর্বস্ব নয় তাঁর যুদ্ধদিনের গল্প। তাঁর শিল্পকল্পনার ভিত্তিভূমি মূলত বাস্তব এবং এর সঙ্গে অন্বিত হয়েছে ব্যক্তিক ও সামষ্টিক আশা-আকাক্সক্ষা এবং সমগ্র বাঙালি জাতিসত্তার প্রত্যাশার অভিদ্যোতনা। আর এ অভিদ্যোতনা শিল্পিত আবহকে রক্ষা করেই নির্মাণ করেছেন। মানুষের যাপিত জীবনের আস্ত অবয়ব উন্মোচনে তিনি আশ্রয় নেন মনোচারিতার, স্বপ্নকল্পনার, প্রতীকের। শেষ বিচারে এ কথা বলা যেতে পারে, তাঁর গল্পে ইতিহাস এসছে গল্পের প্রয়োজনে বলে মনে হয় না। অনেক সময় মনে হয়েছে আরোপিত যা গল্পকার একটু দৃষ্টিদিলে হয়তে আরো শিল্পম-িত করতে পারতেন ।

# এমফিল গবেষক, বাংলা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ।