অঙ্ক, নাটক লোকবৃত্তের দৃশ্য সঞ্চারী শিল্প মাধ্যম । তাই কাহিনীর বর্ণনা নাটকের একটি অপরিহার্য উপাদান । সংস্কৃত পন্ডিতগণ একে বলেছেন নাটকের দেহ । নাটকের এই দেহই কাহিনীর সন্ধি বা ঘটনার পারম্পর্য রক্ষাকারী । এই ঘটনা পরম্পরতাকেই বলা হয় একটি আদি – মধ্য – অন্তযুক্ত কার্য বা ঘটনাধারা । নাটকের ব্যাপক এই ঘটনাধারাকে বিভিন্ন পর্বে ভাগ করার রীতি অত্যন্ত প্রাচীন । সংস্কৃত আলঙ্কারিকগণ নাটকের এই বিভাগকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করেছেন । যেমনঃ ১ প্রারম্ভ , ২. প্রযত্ন , ৩. প্রাপ্তিসম্ভব , ৪. নিয়ত ফল প্রাপ্তি এবং ৫ ফলযোগ । এই পাঁচটি নির্ধারিত পর্ব বিভাগ থেকে পঞ্চাঙ্ক নাটকের উৎপত্তি । অবশ্য পাশ্চাত্য নাটকে এই পর্ববিভাজন আরও প্রাচীন । নাটকের এই পর্ববিভাজনের অংশই নাটকের অঙ্ক । অঙ্ক বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয় নাটকের বিষয়বস্তু তথা কাহিনী বা ঘটনার প্রকৃতি এবং ব্যাপ্তির দ্বারা । কাহিনীর সন্ধিভাগ যেখানে পাঁচই অনিবার্য সেখানে নাটক হবে পঞ্চমাঙ্ক আর যেখানে চার , তিন বা এক ভাগেই কাহিনী উপস্থাপন সম্ভব সেখানে নাটক হবে যথাক্রমে চতুরাঙ্ক , তিনাঙ্ক এবং একাঙ্ক । কখনও কখনও নাটকের একটি মূল ভাগের মধ্যে আবার উপ – ভাগ অপরিহার্য হয়ে পড়ে । ঘটনার পারম্পর্য রক্ষার জন্যই তা প্রয়োজন । এই ধরণের উপ – বিভাগকে গর্ভঙ্ক বলা হয় ।  অটোমেটিক কবিতা , কবিতা সম্পর্কে এক সময় এমন একটা সিদ্ধান্ত ছিলো যে , কবিতাকে আবৃত্তি করে মঞ্চে বা কবি সভায় উপস্থিত করতে হবে । এই যে কবিতা স্বাভাবিকভাবে আবৃত্ত হলো ; এদের রচয়িতা ও উপস্থাপকরা একে প্রচলিত কবিতা থেকে ভিন্ন কিছু বললেন , বললেন অটোমেটিক কবিতা । এক সময় ফ্রান্সে ওলফণর যময় বলে এক কবিতার আন্দোলনে যে সব কবিতা প্রসিদ্ধ হয়েছিলো তা – ই অটোমেটিক কবিতা নামে পরিচিত । ফরাসি কবি জা লুই বো অটোমেটিক কবিতা রচনা করে যথেষ্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলেন । বাংলা সাহিত্যের এই